বশেমুরবিপ্রবিতে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ফেলে রাখা হয়েছে শৌচাগারে!

বশেমুরবিপ্রবিতে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ফেলে রাখা হয়েছে শৌচাগারে!
গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) 'অর্থ ও হিসাব' দপ্তরের সংরক্ষণাগার না থাকায় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র বস্তায় ভরে ফেলে রাখা হয়েছে শৌচাগারে। এতে পানিতে ভিজে নষ্ট নচ্ছে এসব গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র। তবে কক্ষ সংকটের কারনে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র শৌচাগারে সংরক্ষিত করা হচ্ছে বলে দাবী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের 'অর্থ ও হিসাব' দপ্তরের কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য নেই পর্যাপ্ত কক্ষ। প্রায় দুইডজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর জন্য রয়েছে মাত্র ৪টি কক্ষ। ফলে এই দপ্তরের নতিপত্র সংরক্ষনে নেই কোন আলাদা কক্ষ। ফলে বস্তায় ভরে ভাউচার ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র শৌচাগারে ফেলে রাখা হয়েছে। শৌচাগারে রাখায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সংরক্ষণাগারের পাশাপাশি এই দপ্তরে অফিস কক্ষ ও সংরক্ষণাগারের এ বেহাল অবস্থায় ক্ষুব্ধ এই দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কক্ষের সুষ্ঠু বন্টনের দাবিতে রবিবার কর্মবিরতি পালন করেন এই দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

এ বিষয়ে হিসাবরক্ষণ দপ্তরের সহকারী পরিচালক ওয়ালিদ মিয়া বলেন, ২৬ জন স্টাফের জন্য মাত্র ৪ টি কক্ষ থাকায় গাদাগাদি করে ও অন্য দপ্তরের সাথে শেয়ার করে অফিস করতে হয় আমাদের। এছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাউচার ও নথিপত্র সংরক্ষণের জন্য কক্ষ থাকলেও বশেমুরবিপ্রবিতে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র রাখতে হয় ওয়াশরুমের ভেতরে। ফলে পানিতে ও বিভিন্ন কারণে ভাউচারসহ গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে আশ্বাস দেয়া হলেও কক্ষ বরাদ্দ নিয়ে তালবাহানা করার জন্য বাধ্য হয়ে আমরা কর্মবিরতি কর্মসূচি দিয়েছি।

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার মো: দলিলুর রহমান বলেন, কর্মকর্তারা আবার কাজে যোগ দিয়েছেন। উপাচার্য স্যার একটা কমিটি করে দিয়েছেন। তারা বিষয়টি নিয়ে কাজ করে সিদ্ধান্ত নিবেন। 


গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : 
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url